A BILINGUAL ONLINE LITERARY MAGAZINE

গোমড়ামুখো নিউইয়র্ক

গোমড়া মুখ আর শীতল ব্যবহারের মুখোমুখি হয়ে গিয়েছিলাম শুরুতেই হকচকিয়ে।


আর এখন, মানে মিনিট দশ, বারো পনর কি তারও বেশী সময় পর, চলছে দাঁতে দাঁতে ঠোকাঠুকির প্রস্তুতি। সময় যতোটাই গড়িয়ে থাকুক না, কিসসু যায় আসে না তাতে! আপেক্ষিকতার সূত্রানুযায়ী মনে তো হচ্ছে আছি অনন্ত অপেক্ষায়।


আচ্ছা, ফিলিপ কি এপ্রিল ফুল খেলছে নাকি? দেখতে পাচ্ছি না কেন তাকে? বা তার গাড়িটিকে? ওর কথা মতোই তো আছি তিন নম্বর ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে। অবশ্য এটি ও চার নম্বর স্ট্যান্ডটি নাকি ট্যাক্সি স্ট্যান্ড না। প্রাইভেট গাড়ী দাঁড়ানোর স্ট্যান্ড এ দুটো, বলেছিল ফিলিপ। মূলত ১ নম্বরটাই প্রথাগত হলুদ ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। দুই নম্বরটা ডিজিটাল ট্যাক্সি উবারের।


নাতিশীতোষ্ণ আমাদের দেশেরও বসন্তের শুরুতে হালকা ঠাণ্ডা থাকে। সেই সূত্র মেনে শীতের দেশের বসন্তেও যে হিম থাকবেই ধরেই নিয়েছিলাম। তদুপরি গুগল মারফত জেনেওছিলাম পূর্বাভাষ। সে অনুযায়ী ছিল, প্রস্তুতিও।


কিন্তু এখন যে হিম আর বাতাসের তোড়ের, মুখোমুখি হয়েছি, সেই প্রস্তুতি তাতে নিতান্তই অপ্রতুল ঠেকছে। বিশেষত দেহের নিম্নাঙ্গের ক্ষেত্রে। হিমে ব্লু জিন্স চিমসে শক্ত হয়ে বোলাচ্ছে নিম্নাঙ্গে ঠাণ্ডা হাত। আসলে বসন্তে নিউইয়র্কের এরকম গোমড়া মুখের মুখোমুখি হবো আশা করিনি।


আচ্ছা, ফোন করি তো। আরে দূর! আছি তো জে এফ কের এরাইভাল লাউঞ্জ থেকে, খুব জোর পঞ্চাশ মিটার দূরে। তাতেই তো মুফতে পাওয়া বিমানবন্দরের ওয়াই ফাই থেকে হয়ে গেছি বিচ্ছিন্ন। অন্যদিকে আমার ফোনের তথাকথিত রোমিংসার্ভিস, হয়ে আছে স্তব্ধ ও স্থবির। যার, মানে ফিলিপের সাথে যোগাযোগ করতে হলে, ফিরতে হবে ওয়াই ফাইয়ের আওতায়।

স্যুটকেস, ব্যাগ বোঝাই, ট্রলিটি ঠেলে ঠেলে সামনে এগুতে এগুতে, মনে হল, ৬ ডলারের আক্রা ভাড়ায় নেয়া ট্রলিটির, ভাড়া তাতেই যদি হয় কিছুটা উসুল। এরকম আগুন ভাড়া দেখে শুরুতে ভেবেছিলাম, দরকার কী ট্রলির? চাকাওলা স্যুটকেস, টেনেই তো নেয়া যাবে। সামান্য কষ্ট করে বাইরে বেরুলেই তো পেয়ে যাবো বন্ধুর গাড়ী। দরকার নাই এতো টাকার শ্রাদ্ধ করার।


এই একই চিন্তা করেছিলেন সম্ভবত, দুবাই থেকে একই ফ্লাইটে আসা মধ্য বয়স্ক ভারতীয় দম্পতিটিও। নেননি ট্রলি দেখছি ওনারা। কিন্তু, পাঁচ পাঁচটা সুটকেস। অথচ একটাও ট্রলি নেননি! অথচ তাদের কে আমি বিজনেস ক্লাসে দেখেছিলাম। তাদের কাছেই যদি এক ট্রলির ৬ ডলার ভাড়াকে গলাকাটা মনে হয়, তবে বিমানের লেজের দিকের যাত্রী এ অধমের, কী মনে হওয়া উচিৎ? এর পরপরই পাঁচ স্যুটকেস নিয়ে এগুতে গিয়ে দুজনের বেচাইন বেসামাল অবস্থা চোখে পড়তেই, মত বদলেছিলাম।

নাহ, পাচ্ছি না এখনো ওয়াই ফাইয়ের নাগাল। বুঝতে পারছি, ঢুকতেই হবে ফের আগমনী লাউঞ্জেই।

হ্যালো! হ্যালো! হ্যাঁ ফিলিপ, কই তুমি?


“আমি তো ছিলাম। তিন নম্বর স্ট্যান্ডেই। তোমারে তো দেখলাম না।”


আরে কী বল? আমিও তো ছিলাম। তোমারে বা তোমার গাড়ীতো দেখি নাই। বলেই মনে হল, আরে ওর গাড়ীই তো চিনি না।


“এখন তুমি কই?”


এরাইভাল লাউঞ্জে ঢুকছি ফের। তোমার সাথে কথা বলার জন্য। স্ট্যান্ডে তো ওয়াই ফাই নাই। যা হাড় জমানো ঠাণ্ডা ওখানে!

“ঠিক আছে। লাউঞ্জেই থাকো আপাতত। ঐখানে বেশীক্ষন দাঁড়াইতে দেয় না পুলিশ। তোমার জন্য অপেক্ষা কইরা তাই সামনে আগাইতে হইছিল। এখন আবার ঘুইরা, ফিরা আসতে লাগবে, ৩০/৪০ মিনিট। কাছাকাছি আসার পর, মেসেঞ্জারে কল দিব। তখন বের হইয়ো।“


দেশের মবাক্রান্ত অরাজক পরিস্থিতিতে একে একে যখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে নানান দেশের ভিসার দরজা, ছিলাম বেশ দুশ্চিন্তায়। হ্যাঁ আমেরিকার ভিসা থাকার পরও, এই ভ্রমণটি ঘিরে স্বস্তি মোটেও পাচ্ছিলাম না। এ ভিসাটি তো পুরানো। বেশ কিছুকাল ধরে প্রতিদিনই নতুন নতুন কড়া বিধিনিষেধ জারী হয়েছে হওয়ার কথা শুনছিলাম আমেরিকান ইমিগ্রান্ট ও ভ্রমণকারীদের জন্য। ভয়ে ছিলাম তাই, কখন ঐরকম কড়া কিছু জারী হয় আবার আমার মতো পুরানো ভিসাধারীদের উপর!

দুবাই থেকে দীর্ঘ উড়াল শেষে ২০ মিনিট বিলম্বে, স্থানীয় সময় ২টা ৫০ এ এমিরেটস জে এফ কে তে ল্যান্ড করার পর থেকেই, সেই দুশ্চিন্তাটি চেপে বসেছিল ঘাড়ে, সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো।


সে দৈত্যভার কাঁধে নিয়ে দ্রুত ইমিগ্রেশন লাইনের দিকে এগুতে এগুতে, মুফতে পাওয়া ওয়াই ফাই এ ফোনের সংযোগ ঘটাতে গিয়ে টের পেয়েছিলাম বিশ্ব মোড়লের দেশেও, সস্তার তিন অবস্থাই। দুই তিন বারের ধস্তাধস্তিতে অতপর সংযোগ পেতেই, দেশ থেকে এসেছিল লাজু হোয়াটাসঅ্যাপে।


বউকে নিজের নিরাপদ অবতরণ নিশ্চিত করে, বলেছিলাম, দোয়া দরুদ পড়ো। ইমিগ্রেশন পুলসিরাত যাতে পার হতে পারি। এর পরপরই মেসেঞ্জারে ধরেছিলাম ফিলিপকে। ও নিতে আসছে আমাকে শুনে নিশ্চিন্ত হলেও, ইমিগ্রেশন তরি পার হতে পারবো কিনা তা নিয়ে তো ছিলাম ঘোরতর অনিশ্চিত।


আরে মুম্বাইয়ের বাদশাহ, খোদ শাহরুখ খানই তো হয়েছিলেন নাকাল এখানে। আমি তো চামচিকাও না। আরশোলা। কপাল ভাল যে, নামে খানের কোন ছোঁয়া নাই। কিন্তু নামটা তো আরবি। এছাড়া আমাদের মূলধারার মিডিয়া যতোই চেপে যাক না কেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তো চাউর হচ্ছে দেশের নানান জঙ্গি উন্মাদনা, কর্মকাণ্ড হচ্ছে মিনিটে মিনিটে।

নিজেদের পায়ে নিজেদেরই কুড়াল মারার ঐসব খবরে, এখানকার কোন নিরাপত্তাকর্তা যদি আমাকেই জঙ্গি ঠাউরায়, দোষ দেব কিভাবে তাকে?


অতিকায় এনাকোন্ডার মতো এঁকেবেঁকে শুয়ে থাকা শরীর ধরে এগুতে এগুতে এসব দুশ্চিন্তায় কেটেছে ঘণ্টা খানেকের উপর। এরপর ইমিগ্রেশন কর্তার মুখোমুখি হলে, বাড়িয়ে দেয়া পাসপোর্টটি হাতে নিতে নিতে জিজ্ঞেস করলেন “ফার্স্ট টাইম হেয়ার?”


না না, তা হবে কেন? এ হল তৃতীয়বার। তোমার সিস্টেমে নিশ্চয় আছে সব? ঠাণ্ডা চোখে তাকিয়ে, ততোধিক শীতল গলায় বললেন, “যা জিজ্ঞেস করছি সেটারই উত্তর দাও! সে সময় কেন এসেছিলে?”

আহ হা! কেন যে বেহুদা গুরুচণ্ডালী করতে গেলাম! ঘাট মেনে মললাম নিজ কান, মনে মনে। অতপর চেহারায় বেশ আত্মবিশ্বাসীভাব এনে বলি, পড়তে এসেছিলাম।


কোথায়?”


বোস্টনে। সাথে সাথেই, হার্ভাড বিজনেস স্কুল আর ব্যাবসন কলেজ এই দুটো ওজনদার নামও দিলাম ঝেড়ে।

পেলাম না পাত্তা মোটেও। প্রশ্ন এলো, “এবার কী জন্য এসেছো?”


এবারও পড়াশোনার কারনেই। আমার দুই ছেলে পড়ছে তো তোমাদের দেশে।

“কোথায়? কী পড়ছে ওরা?”


বড়জন, উইন্সকন্সিনের বেলোয়েট কলেজে, বিজনেস ইকনমিক্স এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ। ছোটজন ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি, তাল্লাহাসিতে, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।


ছবি তোলার ইশারা করলেন ইমিগ্রেশন অফিসার। হৃষ্ঠচিত্তে সাথে সাথেই চশমা খুলে, মুখোমুখি হয়েছিলাম ডিজিটাল ক্যামেরার। ছবি তোলা শেষ হতেই ফের প্রশ্ন “যাবে কোনদিকে আজ?”


আজ? ওহ, আজকে জ্যামাইকা।


“জ্যামাইকা যাবে! তাহলে এখানে কেন?”


থতমত খেয়ে গিয়েছিলাম। সাথে সাথেই শুধরে বলেছিলাম, না মানে জ্যামাইকা দেশে না! নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকায় যাবো। বন্ধুর ওখানে।


“হুম, তা হলে বলতে হবে জ্যামাইকা কুইন্স।“ কমপিউটারের কি বোর্ডে আঙ্গুল চালাতে চালাতে, একটু মনে হয় হাসির রেখা দেখলাম স্যারের ঠোঁটে। ততোক্ষণে নিশ্চিত হয়ে গেছি, পাশ করেছি! অতএব মজা করার জন্য বললাম

এ বেকুব আমি আর কী করি, বলো? এখানকার রাস্তাঘাট বা এলাকার নাম যে, কেন নানান দেশের নানান শহর এমনকি দেশেরও নামে দিয়ে রেখেছে, তা তো জানি না।


ভ্রু কুঁচকে তাকালেও, মুখে এক চিলতে হাসি। স্বগতভাবে বললেন “নানান দেশের নানান জাতের লোকের দেশ আম্রিকা। তাই তো নানান দেশের নানান জায়গার নাম পাবে এখানে। দেশ ছেড়ে আসা লোকজন ঐ নামেই হয়তো একটু সুখ পায়!”

ওয়াও। দেটস রিয়েলি ফিলসোফিকাল। আই নেভার থট ফ্রম দ্যাট পারস্পেক্টিভ! “আচ্ছা বলো তো আমাকে দেখে কোন দেশের মনে হয়।” হাসতে হাসতেই আসে প্রশ্ন এবার।


কোনই সন্দেহ নাই, অবশ্যই আমেরিকান। না হয় তো এই রকম গুরুত্বপূর্ণ চাকরী তো পেতে না।


“হা হা, না মানে, শিকড় কোথায় আমার বলে মনে হয় তোমার?”

সবকিছুর মতো এ ব্যাপারেও একদম গবেট আমি। তারপরও চেষ্টা করছি। বলেই একটু ভাল করে কাঁচের ওপাশে নজর রেখে বললাম, তুমি এরবিয়ান। আসলে চেহারা দেখে কিছুই বুঝিনি। তবে ইংরেজি উচ্চারনে আরবি টোন আছে বলে মনে হওয়াতেই বলেছিলাম।


“নাহ। আমি স্প্যানিশ। অনেকদিন যাই না স্পেনে। ওকে হ্যাভ গ্রেট টাইম ইন ইউ এস।” বলতে বলতে পাসপোর্টে সিল মেরে দেয় ফেরত।


নিতে নিতে ভাবি বলি, আরে আরবরা যে একসময় স্পেন জয় করেছিল জানো তো নিশ্চয়? ঐজন্যই আছে চেহারায় আরব ছায়া। কিন্তু অবচেতন বলল, মিয়া পণ্ডিতি ছাড়ো! পুলিশে ছুলে কত ঘা হয়, মনে আছে? আর এ হল খোদ আম্রিকার ইমিগ্রেশন পুলিশ।


সচকিত হয়ে একগাল হেসে ধন্যবাদ দিয়ে রওয়ানা করেছিলাম ব্যাগেজ নিতে। যেতে দেরি হয়নি ওখানে। ব্যাগ পেতেও হয়নি মোটেও দেরী বা কোন সমস্যা। অথচ এখন কি না বলে কয়ে আসা, বন্ধুকেই পেলাম না খুঁজে!

বাহ বেশ টেলিপ্যাথিক ঘটনা মনে হচ্ছে। মেসেঞ্জারে নক করছে ফিলিপ!


“হ্যালো, সেলিম, বাইর হও। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে পৌঁছাইয়া যাবো। তিন নম্বর স্ট্যান্ডে আইসা রাস্তা পার হইয়া এই পাড়ে আইসা দাঁড়াইয়ো, বুঝলা। এখন যদি মিস করি, আবারো ধরো পৌনে এক ঘণ্টা এক ঘণ্টার ধাক্কা। বেশিক্ষণ দাঁড়ানো যাবে ন তো।‘


নাহ, এবার আর ভুল হয় নাই। দুজনেই দুজনকে দেখতে পেয়েছি সময়মতো ও জায়গামতো। চার হাতে দ্রুত ব্যাগ সুটকেস, গাড়িতে তুলেই উঠলাম বসে নিজে ড্রাইভিংসিটের পাশে।


“তা, শরীর ঠিক আছে তো? ঘুম দিতে পারছ কি?”


ঠিক ঘুম না হইলেও, শুইতে যে পারছি ওইটাই বড়। সবচেয়ে কমদামের টিকিট কিনছিলাম তো, সিট পড়ছিল, একদম পিছনের দিকে। কপাল ভালো পাশে ছিল না কেউ। চান্সে তাই, ভাব ভুব ছাইড়া শুইয়া পড়ছিলাম এক সময় লম্বা হইয়া।


“হা হা, হা ভাল। খুব ভাল। শোন এখন সোজা যাবো বাসায়। খাওয়া দাওয়া করবো দুইজনে। তোমার ভাবি জানে তুমি আসতেছ। ভাল কথা, এক মাসের জন্য তোমার লাইগা একটা রুমও পাইছি। খুব ভাল না। একটু কষ্ট কইরা থাকতে হবে আর কী। হোটেল ফোটেল তো অনেক কস্টলি।”


বাহ! বাহ খুব ভাল। আরে আমি আবার কোন বঙ্গের লাট! কষ্ট হবে কেন? হলের চৌকিতে ডাবলিং করছি না। চিতকাইত বোর্ডিঙয়ের অভিজ্ঞতাও তো আছে। তা এক মাসের, জন্য দিতে হবে কতো? অবশ্য একমাস তো থাকবো না। তুমি আর আমি তো বাইর হইয়া পড়ব আম্রিকা সফরে। সব মিলায়া হয়তো ছয় সাত দিন থাকা হবে। সমস্যা নাই তুমি যেইটা ঠিক করছ, ওইটাই সই।


“আরে নাহ, কোন পয়সা দিতে হবে না? আমার পরিচিত একজনের বাড়ির ঐ রুমটা খালিই পইড়া আছে। বলতেই রাজী হইয়া গেলেন। গতকাল আমি ঝাড় পোঁছ কইরা সব ঠিকঠাক কইরা আসছি।”


বল কি? থাকবো মাগনা! ঐটার আবার ভাল খারাপের আছে কী? আমি তো খাস বাঙ্গালী। মাগনা পাইলে আলকাতরাও মাখি গায়। তা তোমার বাসা, নিশুর বাসার কাছে তো? আচ্ছা নিশুর বাসায় গেছিলা কি?


“হু, মোটামুটি কাছেই। নিশুর বাসায় যাই নাই এখনো। ও তো জ্যমাইকাতেই থাকে। আমার বাসা থেকে একটু দূরে। একই এলাকা। আজকে যাবো তোমাকে নিয়া। দাঁড়াও, দাঁড়াও আর সামনে যাবো না। এখানেই যখন পার্কিং পেয়ে গেছি, এখানেই থামি। বাসা আমার ঐ তো, সামনেই।” বলেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে ফিলিপ গাড়ী পার্ক করায়।


এ সময় বাইরে নজর যেতেই মনে হল, সময় গড়িয়ে সন্ধ্যার দিকে এগুলেও, চারদিক বেশ উজ্জ্বল মনে হচ্ছে।


Share on social media